![]() |
| সাঁথিয়ায় গ্রুপিংয়ের জেরে বলির পাঠা হলেন কৃষক আফছার |
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:
পাবনার সাঁথিয়ায় গৌরিগ্রাম ইউনিয়নের ঘুঘুদহ পূর্বপাড়া গ্রামে গ্রুপিংয়ের জেরে বলির পাঠা হলেন কৃষক আফছার।কৃষক আফছার সরদাকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আফছার সরদার ঘুঘুদহ পূর্বপাড়া গ্রামের কাজিলাল সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে ঘুঘুদহ গ্রামের কৃষক অফছার সরদারের আত্মচিৎকার ও গ্যাংরানীর শব্দ পেয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে হাত পা বাঁধা অবস্থায় এবং শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন অবস্থায় দেখতে পায় । এমত অবস্থায় এলাকাবাসী আফসার সরদারকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে । পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পাবনা মর্গে প্রেরন করে।
নিহতের মেয়ে আমেনা খাতুন জানায়, আব্বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট করেছিল। নির্বাচনের দিন আমার বাবার উপর হামলা চালায় আমাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপ। আমার বাবা আত্মরক্ষার্থে বাড়িতে পালিয়ে আসে। ইব্রাহিম গ্রুপ এবং আমাদের গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। ইব্রাহিম গ্রুপের লোকজনই আমার বাবাকে হত্যা করেছে।
আফছারের মা আবেদা খাতুন জানায়, আমার ছেলে সহজ সরল সে কাজ ছারা কিছু বুঝতো না। আমার ছেলেকে যারা হত্যা যারা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।
আব্দুল করিম জানায়, আফছার সুন্দর মনের মানুষ ছিলো। এলাকায় কারো সাথে তার কোন দ্বন্দ্ব ছিলো না। আমার মনে হয় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা করা হয়েছে।
ঘুঘুদহ গ্রামে ইব্রাহিম গ্রুপ এবং সরদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। দুই গ্রুপের রেষারেষিতেই এই খুন হয়েছে বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী ।
আফছারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তার পরিবারের সদস্য গ্রামবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারাই এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ড ঘটতে পারে। এই ঘটনায় তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।তদন্ত শেষে এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য জানা যাবে।

0 মন্তব্যসমূহ